রাজ্যের খবর

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা এবার সশরীরে? কি বলছে শিক্ষামহল!

অনুশ্রী ভান্ডারী ডেক্স ঃ-রাজ্যে আসন্ন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা অফলাইনে হবে। হবে কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ পরীক্ষার সময়ে কোভিড- বিধি মানার নানা ব্যবস্থা করছে । পরীক্ষার্থীদের চিন্তা দূর করতে পরীক্ষার আগেও থাকছে অনলাইনে নানা ব্যবস্থা, যাতে পড়ুয়াদের স্কুলে দৌড়াতে না হয়।
গত বছরের ১৬ নভেম্বর স্কুল চালুর পর করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে ২০২২ সালের শুরুর মুখে তা বন্ধ করে দিতে হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের ১২ লক্ষ মাধ্যমিক ও ৮ লক্ষ্য উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মনে সংশয় নেই।
সোমবার এক টিভি চ্যানেলে, বাংলার শিক্ষা ক্লাসরুম ‘অনুষ্ঠানে কল্যাণময় বারবার জানান, মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রতিটি কেন্দ্রে কোভিড আক্রান্ত ও উপসর্গ থাকা পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ আইসোলেশন ঘর থাকবে। দীক্ষার আগে ও পরে তার সাইজ করা হবে। পরীক্ষা শুরুর আগে পাতাও প্রশ্নপত্র দেওয়ার থাকবে। করণা আক্রান্ত কোনো পরীক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি থাকলে, সেখান থেকেই পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
উচ্চ মাধ্যমিকের ক্ষেত্রে সমস্যাটা প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা নিয়ে। চীরঞ্জীব এদিন বলেছেন, যেসব প্র্যাকটিক্যাল স্কুলের ল্যাবে হাতে-কলমে হয়নি, সে বিষয়ে পড়ুয়াদের সমস্যা দূর করতে খুব তাড়াতাড়ি সেইসব প্র্যাকটিক্যালের প্রশিক্ষণ মূলক ভিডিও আপলোড করা হবে বাংলা শিক্ষা পোর্টালে।
পাশাপাশি সংসদ সভাপতি জানান টিভির পাশাপাশি দুরাভাষ ও একাদশ ও দ্বাদশ এর পড়ুয়াদের পড়াশোনা শুরু হতে চলেছে। যাতে তাদের মধ্যে কোন বিষয় ভিত্তিক প্রশ্ন থাকলে অভিজ্ঞ শিক্ষক শিক্ষিকারা পরীক্ষার আগেই দূর করতে পারেন।
এদিন রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা ও উচ্চমাধ্যমিকের মত মাধ্যমিক পরীক্ষা হোম সেন্টারে করার কাতর আবেদন জানান। তবে কল্যাণময় জানিয়েছেন, ‘পরিকাঠামোগত খামতির জন্য এমনটা সম্ভব নয় ‘।তার যুক্তি এবার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ১২ লক্ষ্য। আর স্কুল প্রায় ১০ হাজার,। অনেক স্কুল আছে যা দুটি নদী পেরিয়ে যেতে হয়, ফলে নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও কনফিডেনসিয়াল পেপার পৌঁছানো কঠিন। তাই পরীক্ষার্থীদের বাড়ির কাছাকাছি অন্য বছরের তুলনায় বেশি সংখ্যক কেন্দ্রে এবার পরীক্ষা হবে।
এদিন’ বাংলার শিক্ষা ক্লাসরুম ‘ এ শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘করোনার ফলে বিশ্বে এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ‘,সবক্ষেত্রেই ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তবে শিক্ষার ক্ষেত্রে ক্ষতি হয়েছে সম্ভবত অপূরণীয়। শিক্ষাঙ্গনে পড়ুয়াদের শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ সম্পর্কের বিনিময় এ যেমানের শিক্ষা সম্ভব, গত দু’বছর তার বিকল্প পথে সমমানের শিক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে পড়ুয়ারা বঞ্চিত হয়েছে, এই ক্ষতিপূরণ কখনোই কারোর পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *