Uncategorized

দুয়ারে সরকার ক্যাম্প থেকে সরকারি ভাবে বিভিন্ন সহযোগিতা পেয়ে খুশি নিশাপুরের গ্রামবাসীরা।

দুয়ারে সরকার ক্যাম্প থেকে সরকারি ভাবে বিভিন্ন সহযোগিতা পেয়ে খুশি নিশাপুরের জাহানারা বিবি, রামকিশোরপুরের অরবিন্দু মন্ডল, কঙ্কনদিঘির মঙ্গলা মুদি ও ধনুরহাট মল্লকিপুরের রুনা খাতুনরা। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প সহজে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে ষষ্ঠ দফার দুয়ারে সরকার ক্যাম্প। রাজ্য সরকারের ঘোষণা মতো ষষ্ঠ দফার দুয়ারে সরকার ক্যাম্প শুরু হতে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সরকার প্রকল্পের সুবিধা পেতে মানুষ বিভিন্ন ফর্ম ফিলাপ করে জমা দিতে থাকে। ডায়মন্ড হারবার মহাকুমা বিভিন্ন ব্লকের বাসিন্দারা সরকারি সাহায্য পেতে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে ফর্ম ফিলাপ করে সেই মতো মন্দিরবাজার ব্লকের ধনুরহাট পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা হামিদুল ইসমাল মোল্লা মেয়েকে নাসিং কোর্সে ভর্তি করাতে চায় কিন্তু সমস্যায় পড়ে জাতিগত শংসাপত্রের জন্য। হামিদুল ইসলাম মোল্লা পঞ্চানন হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে মেয়ে নাসিং কোর্সে ভর্তির জন্য জাতিগত শংসাপত্রের ফর্ম ফিলাপ করে ব্লক প্রশাসনের দ্বারস্থ হয় সেই মতো ৭ দিনের মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে মেয়ের জাতিগত শংসাপত্র হামিদুল ইসলাম মোল্লার হাতে তুলেদেন মন্দির বাজার ব্লক আধিকারিক।
অন্য দিকে রায়দিঘি ব্লকের কঙ্কনদিঘি এলাকার এক গরীব পরিবারের প্রবীণ নাগরিক মঙ্গলা মুদি। মঙ্গলা মুদির (৬৮) পরিবারের আর্থক অবস্থা মোটে ভালো নয় তার পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস চাষাবাদ। পরিবারের আর্থিক সংকট মেটাতে কয়েক মাস আগে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে বার্ধক্য পেনশন পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। বর্তমানে মঙ্গলা মুদি সরকারি ভাবে আর্থিক সহায়তা পেরে পরিবারে কিছু টা সচ্ছল। দুয়ারে সরকার ক্যাম্পের মাধ্যমে বার্ধক্য পেনশন পাওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। এছাড়া কুলপি ব্লকের রামকিশোরপুরের বাসিন্দা অরবিন্দু মন্ডল (67 বছর)
তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য। তিনি নিকটবর্তী শহরে চুক্তিভিত্তিক জেলে হিসেবে কাজ করেন। এবং তার পরিবার কঠিন দারিদ্রের মধ্যে নিমজ্জিত।
তিনি রামকিশোরপুর রাধানগরে দুয়ারে সরকার (৫.০) ক্যাম্পে যোগদান করেছিলেন এবং ফিশারম্যান রেজিস্ট্রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করেছিলেন।
বিমাটি আর্থ-সামাজিক উন্নতির জন্য ব্যাপকভাবে প্রচেষ্টা চালাতে এবং চিকিৎসা সহায়তার ক্রয়ক্ষমতা এবং প্রাপ্যতা নিশ্চিত ও সক্ষম করতে 5 লাখ পর্যন্ত পারিবারিক দুর্ঘটনাজনিত সুবিধা কভার করতে সহায়তা করবে।তিনি বলেন, যে ক্যাম্পের কর্মকর্তারা খুব সহায়ক ছিল এবং উল্লিখিত প্রকল্পের সুবিধা পেতে তাকে পরামর্শ দিয়েছিল। দুয়ারে সরকার (5.0) ক্যাম্পের কর্মকর্তারাও তাকে পছন্দসই কার্ড সরবরাহ করেছিলেন যার জন্য তিনি এবং তার পুরো পরিবার খুব খুশি । তিনি সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁর পুরো পরিবার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ, তাঁর দোরগোড়ায় এমন শিবিরের আয়োজন করার জন্য।

মন্দিরবাজার ব্লকের, নিশাপুর পঞ্চায়েতের , জাহানারা বিবির
স্বামী,আজগার শেখ, দুরারোগ্য রোগে ভুগছেন এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তার অপারেশন করা দরকার ছিল।
তিনি অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য।তার স্বামী প্রধানত দিনমজুরি করে উপার্জন করেন । জাহানারা বিবি টেকপাঞ্জা এফপি স্কুলে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন পত্র জমাদেন।
তার পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য নেই বা স্বাস্থ্যসথী কার্ডও নেই। এই প্রকল্পটি তার পরিবারকে আর্থিক দিক অর্থাৎ
এক লাখ তিরিশ হাজার টাকার অপারেশন খরচ থেকে বাচিয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী স্কিম তার অপারেশন পরবর্তী জীবনকে মসৃণ করে তুলেছে।
এই প্রকল্পটি শুধুমাত্র আর্থিক সংকট থেকে পরিবারকে রক্ষা করেনি, মানসিক আঘাত থেকেও রক্ষা করেছে। এই ছাড়া সে হয়তো তার স্বামীকে বাঁচাতে পারত না।তার স্বামীর সফল অপারেশন তাকে এতটাই আনন্দিত করেছে যে তিনি সকলকে বলেছেন যে তার ‘স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পরিবারের জন্য ঈশ্বরের দান’।

ডায়মন্ড হারবার মহাকুমার বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকায় বাসিন্দারা দুয়ারে সরকারের মাধ্যমে নানান ভাবে উপকৃত হবে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত আধিকারিক, ব্লক প্রশাসন, ডায়মন্ড হারবার মহাকুমা আধিকারিক থেকে শুরু করে রাজ্য সরকার ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *